মঙ্গলবার, ৪ জুলাই, ২০১৭

মসজিদের খাদেম(ইমাম-মুয়াজ্জিন) বা মন্দিরের সেবায়েতের জন্য বেতন কাঠামো নির্ধারণ

মসজিদের খাদেম(ইমাম-মুয়াজ্জিন)  বা মন্দিরের সেবায়েতের জন্য বেতন কাঠামো নির্ধারণ


সমাজে রাজনৈতিক পরিচয় প্রতিষ্ঠার  পরিপূর্ণতা আনে ধর্মীয় স্থাপনার দেখবালের মধ্য দিয়ে ;এটি যেন অলিখিত সত্য।এককালে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের( মক্তব-মন্দির -মসজিদ) কর্তৃত্ব ছিল সমাজের শ্রর্দ্ধেয় এবং অধিকতর সৎ ব্যক্তিবর্গের অধীনে। এটি সবাই মেনে নিত।বর্তমানে অবস্থা বিভিন্ন দিকে পরিবর্তিত হয়েছে।
 বর্তমানে অপরাপর ক্ষেত্রের মত নতুন নতুন মসজিদ মন্দির নির্মানও ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।কিন্তু এসব প্রতিষ্ঠানের সেবক ইমাম -মুয়াজ্জিন,বা সেবায়েতের জীবনমানের উন্নয়ন হয়নি।এঁরা সুবিশাল এক পেশাদার সমাজ এবং সময়ের ব্যাপারে  সবছে সতর্ক গোষ্ঠী। মুয়াজ্জিন প্রতিদিন পাঁচবার সঠিক সময়ে আজান দেন।ইমাম সাহেব নামাজ পড়ান সঠিক সময়ে  ।কিন্তু এঁদের জীবনমান উন্নয়নের ব্যাপারে সকলেই উদাসীন।
২০০৮ সালের হিসেবে  ইসলামি ফাউন্ডেশনের তালিকাভুক্ত মসজিদের সংখ্যা ২৫০৩৯৯(দুই লক্ষ পঞ্চাশ হাজার তিন শত নিরানব্বই  )।মন্দিরের সংখ্যাও ১৫০০০ এর কাছাকাছি হবে।এদের মধ্যে অধিকাংশই দারিদ্রের মাঝে দিন কাটায়।প্রায় ছয় লক্ষ পেশাদার যারা সমাজকে পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।শুধুমাত্র  আল্লাহ বা ঈশ্বরের ঘরের সেবার ব্রত নিয়ে আসার কারণে অর্থনৈতিক দিকে পিছিয়ে আছে।এদের অধিকাংশই অন্যের দয়া-দাক্ষিন্যের উপর নির্ভরশীন।অন্যদিকে,গীর্জার ফাদারদের বার্ষিক সম্মানী ১৭০০০USD$-৭০০০০ USD$-পর্যন্ত উঠা-নামা করে।তাঁরা সামাজিকভাবে খুব সম্মানিত এবং সচ্ছল।     
আল্লাহকে আমরা ভালবাসি বলে দাবি করি কিন্তু যারা আল্লাহর ঘরের সেবক তাঁদের জীবনমানের অবস্থা উন্নত করবার জন্য কারো মাথাব্যথা নেই।এখন এবিষয়ে পদক্ষেপ নেয়ার সময় এসেছে। আমরা বিশ্বাস করি সহৃদয় সরকার ইমাম মুয়াজ্জিন এবং সেবায়েতগণের জন্য বেতন কাঠামো নির্ধারণ করবেন এবং আল্লাহ বা ঈশ্বরের কৃপা লাভে প্রত্যাশী হবেন।  
                                ----


শুক্রবার, ১৪ এপ্রিল, ২০১৭

কওমি মাদ্রাসার স্বীকৃতিঃসরকারের রাজনৈতিক দূরদর্শিতার প্রকাশ

কওমি মাদ্রাসার স্বীকৃতিঃসরকারের রাজনৈতিক দূরদর্শিতার প্রকাশ

 

অতি সম্প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী হেফাজতের নেতা শফি সাহেবের সাথে এক বৈঠকে কওমি মাদ্রাসার সনদের স্বীকৃতি দানের ঘোষণা দিহেছেন।এতে সরকারের রাজনৈতিক দূরদর্শিতার প্রকাশ পেয়েছে। এই সিদ্ধান্ত সরকারের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার অংশ এবং এটি বাস্তবায়িত হলে সরকারই লাভবান হবে বলে মনে  হয়।অন্যদিকে জামাতে ইসলানী ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

  রাজনীতির মাঠে  জামাতে ইসলামীর সাথে হেফাজতের বিশাল দূরত্ব রয়েছ।জামাতের নীতিনির্ধারী পর্যায়ের অধিকাংশ নেতা প্রথাগত মাদ্রাসা শিক্ষিত নয়কওমি মাদ্রাসার মুহাদ্দেসগন এদেরকে যথার্থ ইসলামী নের্তৃত্ব বলে মনে করেন না।ফলে এরা মননে জামাতের বিরোধি পক্ষ।সসরাচর হেফাজতের ছাত্র সংগঠন সরকার বিরোধি আন্দোলনে যুক্ত হয়না।তারা দ্বীনের খেদমতে থাকেন।বিভিন্ন মসজিদ, মক্তব আর কওমি মাদ্রাসায় শিক্ষকতায় যুক্ত থাকেন।তাদের সনদের স্বীকৃতি না থাকায় সরকারি চাকুরিতে প্রবেশের সুযোগ ছিলনা।কেউ কেউ সরকার স্বীকৃত মাদ্রাসায় পুনরায় পড়ে সরকারি চাকুরি করছেন।এদের মধ্যে বেশির ভাগই জামাতের রাজনীতির সাথে যুক্ত।কারো কারো সার্টিফিকেটও ভুয়া। অন্যদিকে মাদ্রাসা পড়ুয়া  যারা অনিবার্যভাবে সরকারি চাকুরিতে নিয়োগপ্রাপ্ত হন তাদের সিংহভাগ জামাতের রাজনীতিতে সরাসরি যুক্ত ছিলেন।কেউ কেউ এখনো এয়ানত প্রদান করেন।এই বিষোয়টি নিশ্চয় বর্তমান সরকার জ্ঞাত আছেন।এমতাবস্থায় যদি বিকল্প প্রার্থী না পাওয়া যায় গুরুত্বপূর্ণ কিছু ক্ষেত্রে জামাতের অংশীদারিত্ব বাড়বে।এটি নিশ্চিত।সরকার সম্ভাব্য সংকট মোকাবেলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।
   এদিকে সরকার উপজেলা পর্যায়ে সরকারি মসজিদ প্রতিষ্ঠার পদক্ষেপ নিচ্ছেন।এখানে জামাতের কর্মীদের নিয়োগ রোধকল্পে এমন পদক্ষেপ নেয়া জুরুরী ছিল।
  বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে ধর্মীয় প্রশিক্ষক বা ইমাম হিসেবে যারা নিয়োগ প্রাপ্ত হয়েছেন তাদের অতীত তালাশ করলে দেখা যাবেঃতাদের অনেকেই ছাত্র জীবনে সরাসরি জামাতের রাজনীতির অনুসারি ছিলেন।ভবিষ্যতে এদের বিষয়েও সরকার হয়তো কোন সিদ্ধান্ত নিবেন।
   স্বধীনতা যুদ্ধে কওমি মাদ্রাসার হুজুরদের রাজাকার বাহিনীতে অংশগ্রহনের নজির খুব একটা নেই। এটাও বিবেচনার বিষয় হতে পারে ।সাথে সাথে রাজনীতির মাঠে সরকার ধর্মীয় নেতাদের একটা অংশের সমর্থনের আশাও করছেন এবং এটি সহজেই পাবেন বলে আশা করা যায়।কারণ,কওমি মাদ্রাসাসমূহ ভারতের দেওবন্দ উলুমের অনুসারি এবং তারা ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহনকারি।ভারতের সাথে সুসম্পর্কের কারণে সরকার এদের সমর্থন পাবেন।
 সর্বোপরি, কওমি মাদ্রাসাকে  শিক্ষার মূল ধারায় আনার প্রাথমিক পদক্ষেপ হচ্ছে এটি।আশাকরি সরকার শিক্ষার্থীদের একটা বিশাল  অংশকে জবাবদিহিতার মাঝে আনতে সমর্থ হবেন।
                                                                               ----

    

মঙ্গলবার, ১০ জানুয়ারি, ২০১৭

আগামীর উপমহাদেশ :আমাদের প্রত্যাশা


আগামীর উপমহাদেশ :আমাদের প্রত্যাশা
ভারতীয় উপমহাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় অঞ্চল।অথচ অনৈক্য আর দ্বন্ধের কারণে তারা পিছিয়ে আছে।
আমরা বিচ্ছিন্ন, আমরা বিভেদে জড়িত, আমরা পরষ্পারিক অবিশ্বাসে আক্রান্ত ; তবে আমরা পাশাপাশি থেকেও কিভাবে এগিয়ে যাব?  বর্তমান বিশ্ব ব্যবস্থায় বাংলাদেশ , ভারত আর পাকিস্থান এ তিনের  ঐক্য অনিবার্য হয়ে উঠেছে ; এটি আমার বিশ্বাস এবং প্রত্যাশা। এজন্য,  শান্তি, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধির জন্য এ তিন দেশ একটি কনফেডারেশন গঠন করা প্রয়োজন। ভারতের পাশাপাশি বাংলাদেশ ও পাকিস্থানে গণতান্ত্রিক শক্তির উত্থানের কারণে এই প্রক্রিয়া এগিয়ে নেয়া সহজতর হবে বলে মনে হয়।
নিজেদের নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধিককে নিশ্চিত করার প্রত্যয়ে বিশ্বের  বহু অঞ্চল নিজেদের মধ্যে ঐক্য গড়ে তুলেছে। বিশেষকরে ইউরোপের দেশসমূহ দ্বারা প্রতিষ্ঠিত ইউরোপিয় ইউনিয়ন উজ্জ্বল উদাহরণ। এক সময় এদের মধ্যে ছিল প্রচণ্ড অবিশ্বাস, দ্বন্দ্ব আর যুদ্ধ ; কিন্ত এখন নেই। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে দুব্লকের দেশ আমেরিকা এবং রাশিয়া নিজ নিজ বিশ্বাস ও চিন্তায় আলাদা থেকেও একই লক্ষ্য অর্জনে লড়েছে।কিন্তু আমরা পারছি না। আমরা ঐক্যকে অনৈক্যে রূপান্তরিত করেছি। ফলে আজ সর্বদিকে পিছিয়ে রয়েছি।
     আমারা পারষ্পরিক সহযোগিতায় পিছিয়ে আছি।আথচ আমারা চাইলে কেউ আমাদের পথ আটকাতে পারবে না। ধর্মীয় উম্মাদনা আর উগ্রবাদ পুরো উপমহাদেশের জন্য হুমকী।অন্যদিকে বাকী বিশ্বের সুবিধাবাদীরা এই বিচ্ছিন্নতার সুবিধা নিচ্ছে।
ভারত বিভক্ত হওয়ার পর থেকেই এই অঞ্চলে সংঘাত লেগেই আছে। যে বিশ্বাস ও তত্ত্বের উপর ভর করে এই বিভক্তি - তা মিথ্যা প্রমানিত হয়েছে।বর্তমানে ভারতে মুসলিম জনগোষ্ঠীর সংখ্যা পাকিস্তানের প্রায় সমান । অতএব আমাদের বোধোদয় হওয়া উচিত। বহিঃশত্রুর দ্বারা প্ররোচিত হয়ে যুদ্ধফ্রন্ট নিজেদের উঠোনে আনা মহা ভুল। আজ আমাদের নেতাদের উচিত এনিয়ে সক্রিয়ভাবে পদক্ষেপ নেয়া উচিত।
বিশেষ করে ভারত উদার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে আসতে পারে।যেহেতু ভারতের বিচ্ছিন্নতার জন্য কংগ্রেসে সরাসরি অভিযুক্ত,তারা বরাবরই এইক্ষেত্রে পিছিয়ে আছে। স্বাধী্নতার পরে কংগ্রেস ব্যতীত অন্য সরকারের সময়ে বাংলাদেশের সাথে গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিসমূহ হয়েছে।বর্তমান বিজিপি সরকার এই বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাবসম্পন্ন ।বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমান বিশ্বের অন্যতম সাহসী এবং মানবতাবাদী নেতা।তিনিও এই ক্ষেত্রে সহযোগিতা করতে পারেন।
বাংলাদেশ,ভারত এবং পাকিস্তান পারষ্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধিকরা উচিত।আমি বিশ্বাস করি এর মধ্যদিয়ে উপমাদেশ নতুন সভ্যতার জন্ম দিতে সমর্থ হবে ; এবং এরাই হবে পুরো বিশ্বের কর্ণধার।
                                                                 _____


শুক্রবার, ৬ জানুয়ারি, ২০১৭

প্রসংগ:নারীস্বাধীনতা,প্রেম ও কাম

প্রসংগ:নারীস্বাধীনতা,প্রেম ও কাম

পুরুষ ও নারীর প্রেম ও কামের রুপ-রং ভিন্ন।নির্দিষ্ট নারীতে প্রচণ্ডভাবে ভালবাসা অনুভবের পরেও অনেক পুরুষ অন্যনারীতে দেহজ সম্পর্ক তালাশ করে।সেখানেও তাদের যুক্তি থাকে ; থাকে অনুতাপ।অন্যদিকে বহু নারী আছেন যারা অসম্ভমরকম সংসারী ; সন্তান,শশুর-শাশুড়ি কে দেখা শুনা করেন। কিন্তু তারাও গোপনে অন্যায্য শয্যাগত হন ;বলেন : সংসারের জন্য।সত্য হচ্ছে :সব রকম স্বাধীনতা সত্ত্বার অন্তর্গত সামর্থ আর শক্তির অনুগামী।এর অন্যথা হলে ব্যাক্তি নিজ পতনকেই নিশ্চিত আর দ্রুততর করে।এইক্ষেত্রে ধর্মীয় বিধান মানবজাতিকে পথ দেখিয়েছে যা তাদের নিষ্কলুষ জীবন ধারায় পরিচালিত করেছে।আমি মনে করি, সকল ধরণের স্বাধীনতাই আপেক্ষিক এবং ব্যাক্তি নিরেপেক্ষ।ব্যাক্তির যোগ্যতা তার স্বাধীনতার সীমা নির্দিষ্ট করে দিবে।এর অন্যথা হলে এর যথেষ্ট অপব্যাবহার হবে।আর আমরা নারী স্বাধীনতা নিয়ে টানাটানি করবো, পুরুষের স্বার্থপরতা খুঁজবো আর এর সমাধানে এনজিও খুলবো। এর মধ্যদিয়ে নারী স্বাধীনতাকামী সমাজের একটা গোষ্ঠীকে অনিশ্চিত অবস্থায় নিপতিত করবো।এক্ষেত্রে সফলতা প্রচারের জন্যও অনেকে এগিয়ে আসবেন।কাম-প্রেম- যৌনতা আর নারী স্বাধীনতা নিয়ে আমরা আলোচনা চালিয়ে যাব। তা যেমন ছিল তেমনি থাকবে।সমাজ বিনির্মানে নতুন তত্ত্ব আসবে, তথ্য আসবে ; তেমনিভা.বে আমাদের বিতর্কও এগিয়ে যাবে।
বোধঃবিষয়, নারী

২।বহু নারীর অক্ষম আস্ফালন নিষিদ্ধ জগতের স্থায়ী বাসিন্দা করে ।কিন্তু ভিন্নমতের সৌন্দর্য তাদের অন্ধ আবেগের কাছে তুচ্ছ এবং বোধাতীত ।ফলে পবিত্র আর উত্তম জীবন তাদের কাছে অসহনীয় হয় ।
৩। এই এক বিষ্ময়কর বিষয়ঃমানুষ বৃক্ষের ফল খেয়ে খুশি ; অথচ অবহেলায় বৃক্ষটাকেই মেরে ফেলে ।

১।অনেক নারী সেবাদাসীর মত জীবন কাটাতে চায়;প্রেমিকার মত না ।ফলে তার উৎপাদিত ফসল সামাজিক বৈধতা পেলেও তার নিজের কাছেই প্রশ্নবিদ্ধ বৈধতা পায় ; যা তার উত্তরকালকে ধ্বংসের মুখে ফেলে দেয় ।এসব সেইসব নারী যারা তাদের অক্ষমতাকে রূপান্তরিত করে প্রমোদসঙ্গীনী হিসাবে । 1/6/17




বৃহস্পতিবার, ১১ আগস্ট, ২০১৬

মসজিদের খাদেম(ইমাম-মুয়াজ্জিন) বা মন্দিরের সেবায়েতের জন্য বেতন কাঠামো

মসজিদের খাদেম(ইমাম-মুয়াজ্জিন)  বা মন্দিরের সেবায়েতের জন্য বেতন কাঠামো নির্ধারণের সুপারিশ


সমাজে রাজনৈতিক পরিচয় প্রতিষ্ঠার  পরিপূর্ণতা আনে ধর্মীয় স্থাপনার দেখবালের মধ্য দিয়ে ;এটি যেন অলিখিত সত্য।এককালে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের( মক্তব-মন্দির -মসজিদ) কর্তৃত্ব ছিল সমাজের শ্রর্দ্ধেয় এবং অধিকতর সৎ ব্যক্তিবর্গের অধীনে। এটি সবাই মেনে নিত।বর্তমানে অবস্থা বিভিন্ন দিকে পরিবর্তিত হয়েছে।
 বর্তমানে অপরাপর ক্ষেত্রের মত নতুন নতুন মসজিদ মন্দির নির্মানও ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।কিন্তু এসব প্রতিষ্ঠানের সেবক ইমাম -মুয়াজ্জিন,বা সেবায়েতের জীবনমানের উন্নয়ন হয়নি।এঁরা সুবিশাল এক পেশাদার সমাজ এবং সময়ের ব্যাপারে  সবছে সতর্ক গোষ্ঠী। মুয়াজ্জিন প্রতিদিন পাঁচবার সঠিক সময়ে আজান দেন।ইমাম সাহেব নামাজ পড়ান সঠিক সময়ে  ।কিন্তু এঁদের জীবনমান উন্নয়নের ব্যাপারে সকলেই উদাসীন।
২০০৮ সালের হিসেবে  ইসলামি ফাউন্ডেশনের তালিকাভুক্ত মসজিদের সংখ্যা ২৫০৩৯৯(দুই লক্ষ পঞ্চাশ হাজার তিন শত নিরানব্বই  )।মন্দিরের সংখ্যাও ১৫০০০ এর কাছাকাছি হবে।এদের মধ্যে অধিকাংশই দারিদ্রের মাঝে দিন কাটায়।প্রায় ছয় লক্ষ পেশাদার যারা সমাজকে পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।শুধুমাত্র  আল্লাহ বা ঈশ্বরের ঘরের সেবার ব্রত নিয়ে আসার কারণে অর্থনৈতিক দিকে পিছিয়ে আছে।এদের অধিকাংশই অন্যের দয়া-দাক্ষিন্যের উপর নির্ভরশীন।অন্যদিকে,গীর্জার ফাদারদের বার্ষিক সম্মানী ১৭০০০USD$-৭০০০০ USD$-পর্যন্ত উঠা-নামা করে।তাঁরা সামাজিকভাবে খুব সম্মানিত এবং সচ্ছল।  
আল্লাহকে আমরা ভালবাসি বলে দাবি করি কিন্তু যারা আল্লাহর ঘরের সেবক তাঁদের জীবনমানের অবস্থা উন্নত করবার জন্য কারো মাথাব্যথা নেই।এখন এবিষয়ে পদক্ষেপ নেয়ার সময় এসেছে। আমরা বিশ্বাস করি সহৃদয় সরকার ইমাম মুয়াজ্জিন এবং সেবায়েতগণের জন্য বেতন কাঠামো নির্ধারণ করবেন এবং আল্লাহ বা ঈশ্বরের কৃপা লাভে প্রত্যাশী হবেন।
                                    ----

সোমবার, ২৫ জুলাই, ২০১৬

বাংলা উপসর্গ শেখা

বাংলা উপসর্গ শেখা

 

কবিতা্র মাধ্যমে উপসর্গ মনে রাখার কৌশল দেয়া হল ।আশাকরি এটি আমাদের উপকারে আসবে ।

 

বাংলা উপসর্গ (২০ টি)

কেজো অঘারাম হাভাতে হাঘরে

রামবোকা অনাদরে কাঁদছে ঝোরে।

অনাচারে ভরপুর অজপাড়া গাঁয়

সুকাজে সুনাম নেই ; রব কুকথায়।

কদাকার আড়চোখা ভরসাঝেঁ যায়

ধোয়া কদবেল আনমনে খায় ।

আবছায়ে সাজোয়ান ধরে পাতিহাঁস  

ঊনভাত নিঁখুত বিফল না ইতিহাস 

 

সংস্কৃত উপসর্গ (২১ টি)

 

অপবাদ প্রসারে অনুতাপ নিদারুণ

সমাগত প্রতিবাদে অভিযান সুনিপুন

অতিশয় পরিমানে অধিবাস মরণ

অবরোধে উদগ্রীব দূর্গম বিচরণ

উপদ্বীপে উৎসুক সুনীলের প্রস্থান 

নির্জীবের পরাজয় প্রতিদিন অনুক্ষণ।

শিক্ষার্থীরা কবিতা দুটো শিখে ফেললে উপসর্গ ও এর প্রয়োগ করতে সক্ষম হবে।
                            ----

 

 

বুধবার, ৬ এপ্রিল, ২০১৬

বাংলা নববর্ষ উদযাপনে সার্বজনীনতা এবং সরকারের সিদ্ধান্ত

বাংলা নববর্ষ উদযাপনে সার্বজনীনতা এবং সরকারের সিদ্ধান্ত 




বাঙলীসত্ত্বার প্রধান প্রকাশ ভাষা ; তারপর জাতীয় দিনগুলো ।কিন্তু বাঙলীসত্ত্বাকে যাকিছু ভেতর ভেতরে শারীরিক  রূপ  দিয়েছে তার মাঝে অন্যতম হচ্ছে বাংলা নববর্ষ ।মহান নেতা শেরে বাংলার পথ ধরে বর্তমান সরকার নববর্ষকে আরো সার্বজনীন করার উদ্যোগ নিয়েছে ।এজন্য সরকার বাংলা নববর্ষকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে উদযাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে
  বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার নববর্ষ উদযাপনকে  অধিকতর নন্দিত করার জন্য সরকারি চাকুরীজীবিদের উসব বোনাস দিচ্ছে সরকারের গৃহীত সিদ্ধান্ত প্রশংসাযোগ্য এবং যুগান্তকারী আমরা এক্ষেত্রে সকারের আরও কিছু করার যৌক্তিকতা স্মরণ করিয়ে দিতে চাই সার্বজনীন অনুষ্ঠান তখনই হয় যখন সর্বজনীন হয় ।এক্ষেত্রে আমরা  লক্ষ্য করছি সরকারি বেতনভোগী ৫ লক্ষ এম পি ও ভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ।ফলে সরকারের আংশিক সুবিধা প্রধানের কারণে এটি জাতীয় অনুষ্ঠান হয়ে উঠার পথে অন্তরায় হবে ।কারণ, জাতীয় দিবস হিসেবে পহেলা বৈশাখ আগেও ছিল ; যেখানে বিভেদ ছিল নাএখন এটি বৈষম্যযুক্ত এবং বৈষম্য সৃষ্টিকারি দিবস ও উসব হিসেবে অনুষ্ঠিত হবে
সরকারের  বোনাস প্রদান যদি সর্বজনীন হতো তাহলে যৌক্তিত হতো  এবং সরকারের লক্ষ্যও অর্জিত হতো ।কারণ , এম পি ও ভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারি দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে রয়েছেন  যাদের মাধ্যমে সরকারের মহতী  কাজের বার্তা পৌঁছে  যেত ; সাথে সাথে এটি উসবকে মহিমান্বিত করতো তাই , আমাদের প্রত্যাশা সরকার জাতীয় দিবসকে বিভেদের সূত্র না করে ঐক্য ও সংহতির প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে ।
অন্যদিকে বিপুল সংখ্যক জনগোষ্ঠী  যারা বেসরকারি পর্যায়ে কর্মরত তাদেরকেও  আমরা এই আয়োজনে সাথী হিসেবে চাই ।মালিক পক্ষ বাঙালির  ঐক্যের পথে  কতটুকু এগুলো তাও সরকারকে দেখতে হবে । আমাদের একান্ত প্রত্যাশাঃ  বাংলা নববর্ষ  বাঙালির ঐক্যকে প্রতিষ্ঠিত রাখবে ।

                                                                     -------------------

Printfriendly

Featured Post

জাতি নির্মাণে গল্পযোগ

  জাতি নির্মাণে গল্পযোগ   ১ ।   মানুষ সামাজিক জীব।তারা পরিবার গঠন করে।তারপর সে-ই পরিবার একটি গোষ্ঠীতে রুপান্তরিত হয় এবং ধীরে ধীরে একাধিক গোষ...